Why We Will Join with Scouting

আমরা কেন স্কাউটিং করবো

স্কাউট

স্কাউট হচ্ছে সামাজিক, সেবামূলক এবং অরাজনৈতিক আন্দোলন- যার মাধ্যমে শিশু, কিশোর ও যুবকদের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, বুদ্ধিভিত্তিক ও আধ্যাত্মিকভাবে যোগ্য করে গড়ে তোলা হয়। তাছাড়া এটি জাতি, বর্ণ, ধর্ম  নির্বিশেষে সকলের জন্যই উন্মুক্ত।   
 

আপনি বা আপনার সন্তান বা ভাই বা বোনকে কেন স্কাউটিং করবে?

  • স্কাউটিং হাতে-কলমে কাজ শেখায়।
  • স্কাউটিং ছোট-দল বা উপদল পদ্ধতিতে কাজ করতে শেখায়।
  • স্কাউটিং ব্যাজ পদ্ধতির মাধ্যমে কাজের স্বীকৃতি প্রদান করে।
  • এখানে কোনো খারাপ শিক্ষা দেওয়া হয় না।
  • একজন মানুষ কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবে তা এখানে সেই শিক্ষাই দেওয়া হয়।
  • স্কাউটিং করলে মনের অনেক কিছু পরিবর্তন হবে।
  • স্কাউটিং জনসচেতনতা সম্পর্কে শিক্ষা দেয়।
  • সর্বদা কর্তব্য পালন করতে শিক্ষা দেয়
  • নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সর্বদা অটুট থাকতে শিক্ষা দেয়।
  • কিভাবে নেতৃত্ব দিতে হয় তা শেখানো হয়।
  • অন্যকে সম্মান করতে শেখায়।
  • নিজের কাজ নিজেকে করতে শেখায়।
  • একজন স্কাউটের লক্ষ্যই থাকে সর্বোত্তম।
  • স্কাউট প্রাথমিক জ্ঞান সম্পর্কে অবগত করে।
  • একজন স্কাউট এমন কোনো কাজই করে না যাতে অন্য কারও ক্ষতি হয়।
  • সকল সমস্যা সমাধানের জন্য সে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে যথাসাধ্য চেষ্টা করে।
  • মানুষের সেবায় সে সর্বদা নিয়োজিত থাকে।
  • বন্ধুত্বের বিশাল যে নেটওয়ার্ক স্কাউটিং-এর মাধ্যমে খুব সহজে অর্জন করা যায়।
  • স্কাউটিং করা ছেলে-মেয়েদের প্রতিকূল সব পরিস্থিতে মানিয়ে চলার প্রায়োগিক শিক্ষা দেয়া হয়।
  • নিজেকে পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ বা বিকশিত করতে শেখায়।
  • স্কাউটরা নির্ধারিত পোশাক, স্কাউট ব্যাজ ও স্কার্ফ পরিধান করে।
  • স্কাউটরা নির্ধারিত তিন আঙ্গুলে বিশেষ কায়দায় সালাম দেয় ও গ্রহণ করে।
  • স্কাউটরা ডান হাতে পরস্পরের সাথে করমর্দন করে।
  • স্কাউটরা নিজস্ব কায়দায় তাদের অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকে। যেমন-ক্যাম্পুরী, জাম্বুরী, র‌্যালি, মুট, ক্যাম্প ফায়ার, স্কাউটস ওন, ক্রু মিটিং ইত্যাদি।

এছাড়াও আরো কারন আছে যা নিজে স্কাউট না হলে বোঝা কঠিন।
 

রবার্ট স্টিফেন্সন স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অফ গিলওয়েল সংক্ষেপে বি.পি এই আন্দোলনের শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ৯ই এপ্রিল “বাংলাদেশ বয় স্কাউট সমিতি” গঠিত হয়। একই বছর ১১ই সেপ্টেম্বর গনপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার এর স্বীকৃতি দেয় এবং এর প্রধান জাতীয় কমিশনার হন জনাব পিয়ার আলী নাজির। ১৯৭৪ সালে WOSM “বাংলাদেশ বয় স্কাউট সমিতি” কে তাদের ১০৫তম সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর ১৯৭৮ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় “বাংলাদেশ স্কাউটস”।

স্কাউট আন্দোলন সকল ধরনের ছেলেমেয়েদের জন্য উন্মুক্ত। সুষ্ঠু পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশে স্কাউটিং নিম্নোক্ত তিনটি শাখায় বিভক্ত:

  • কাব: যে সকল বালক / বালিকার বয়স ৬ বছরের বেশী, কিন্তু ১১ বছরের কম/প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের ছাত্র।
  • স্কাউট: যে সকল কিশোর/কিশোরীর বয়স ১১ বছর বা তার চেয়ে বেশী, কিন্তু ১৭ বছরের কম/মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের ছাত্র।
  • রোভার স্কাউট: যে সকল তরুণ/তরুণী কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে অথবা যাদের বয়স ১৭ বা তার চেয়ে বেশী, কিন্তু ২৫ বছরের কম। রেলওয়ে, বিমান ও অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে চাকুরীজীবীদের জন্য বয়স ৩০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

Post a Comment

0 Comments