ব্যাডেন পাওয়েল এর বাণী
অভিনয়ঃ
- মনীষী বেকন বলেছেন, অভিনয় শিশুরে শিক্ষার অন্যতম পদ্ধতি। তার একথা সহজেই বিশ্বাস করা যায়। অনুকরনের জন্য অভিনয় শিশুদের স্বাভাবিক শক্তি যোগায়; তারা রসিকতা ও কল্পনা শক্তি অর্জন করে। এ সবই চরিত্র গঠনের সহায়ক। সেই সঙ্গে ইতিহাস ও নৈতিকতার পাঠ, চরিত্র অনুধাবন ও ঘটনাবলি অভিনয়ের মাধ্যমে অনেক ভালোভাবে মনের উপর প্রভাব পেলতে পারে- যা কোনো শিক্ষকের পক্ষে তেমনভাবে শিক্ষা দেওয়া যায় না।
- অভিনয় জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রদানের জন্য সম্ভাব্য সর্বোত্তম প্রশিক্ষণ দান করে।
-
চরিত্র গঠনের অপর একটি
মূল্যবান ও সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো অভিনয়ের পোশাক পরা এবং অভিনয় করা।
আমি চরিত্র গঠনের বিভিন্ন উপায় যেমন:- আত্নপ্রকাশ, মনোনিবেশ, কন্ঠস্বর
উন্নয়ন, কল্পনাশক্তি, বেদনাবোধ, রসিকতা, ভারসাম্য, শৃঙ্খলা, ঐতিহ্য ও নৈতিক
শিক্ষা, আত্নসচেতনতার বিলোপ ইত্যাদি নিবিড়ভাবে বিবেচনা করেছি। কাব মাস্টার
নিজে অভিনয়ের সংস্পর্শে এসে তা উপলব্ধি করতে পারবেন এবং শিশুরা কীভাবে তার
উদ্যোগ মোকাবিলা করার জন্য নাটকীয়তার সাহায্য নেয় তাও বুঝতে পারবেন।
- অভিনয় বালকদের উৎফুল্ল করে।
এতে আছে রোমান্স, বড়দের দ্বারা সংগঠিত হওয়ার সুযোগ এবং বিচিত্র ধরনের পোশাক
পরার আনন্দ। কিন্তু এসব ছাড়া কাবেরা আসল মজা লাভ করে মহড়া ও দর্শকদের
সামনে চূড়ান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে। এতে তারা লাভ করে আত্নবিশ্বাস,
সুস্পষ্টভাবে কথা বলার শিক্ষা, স্মরণশক্তির চর্চা, ধৈর্যশীলতা,
আত্ননিয়ন্ত্রন ও আন্তরিকতা।
- আত্নবিকাশের জন্য অভিনয় প্রত্যেক বালকের শিক্ষার অংশ হওয়া উচিত।
আত্নসংযমঃ
- আত্নসংযম চরিত্রের তিন ভাগ।
- যে লোক তার বিবেক ও তার লজ্জা ছাড়া তার নিজেকে, তার রাগ, তার ভয়, তার লোভ-সবকিছুই নিয়ন্ত্রন করতে পারে, সে ভদ্রলোক হওয়ার যোগ্যতা রাখে।
- আত্নসংযম তোমাকে কেবল বদভ্যাস নিয়ন্ত্রনে সক্ষম করে না, তা তোমার চিন্তা-ভাবনাকেও পরিচালিত করে।
- তোমার মেজাজকে চড়তে দেওয়া অন্যের কাছে বিরক্তিকর নয়, বরং তা তোমার নিজের ব্যাপারেও ক্ষতিকর। যদি যুক্তিতে তুমি ঠিক থাক তাহলে তোমার মেজাজ গরম করার দরকার পরে না। আর তুমি যদি ভুলের মধ্যে থাক, তাহলে তা করতে পার না।
- আমি নিজেই দেখেছি রাগের সবচেয়ে সবচেয়ে ভালো ঔষধ হল শিস দেওয়া শুরু করা।
- মেজাজা এমন একটা জিনিস যা ভালো বা মন্দ হোক দেখা দিবেই। খন আপনি বুঝবেন যে রাগান্বিত হচ্ছেন, তখন আপনার খারাপ মেজাজ চাপা দিলে খুব তাড়াতাড়িই তা জয় করতে পারবেন। চাপা দেওয়ার উপায় হলো শিস দেওয়া এবং পওে হেসে ফেলতে নিজেকে বাধ্য করা।
আত্নসম্মানঃ
- বালককে দায়িত্ব দিয়ে এবং একজন সম্মানত ব্যাক্তি হিসেবে তাকে মনে করে তার ক্ষমতা অনুসারে কর্তব্য পালনে বিশ্বাস করা, তার ক্ষতি না করে তার সঙ্গে সম্মন ও সুবিবচনাসহ আচরন করলে তার আত্নসম্মান বাড়ানো যায়।
- আত্নসম্মানই অপরের কাছ থেকে সম্মান আনয়ন করতে পারে।
0 Comments