Introduction to World Scouts and Bangladesh Scouts

 বিশ্ব স্কাউট ও বাংলাদেশ স্কাউটস এর সূচনা

স্কাউটিং হলো একটি সামাজিক, সেবামূলক ও অরাজনৈতিক যুব আন্দোলন যা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য উন্মুক্ত। 

 

যার জনক রবার্ট স্টিফেনশন স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অব গিলওয়েল (বিপি )

তিনি ১৯০৭ সালে ২০ জন বালক (১১-১৭ বয়সী) নিয়ে ইংল্যান্ডের ব্রাউন সি দ্বীপে ক্যাম্প অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্কাউট আন্দোলনের সূচনা করেন। স্কাউটিংয়ের মূলমন্ত্র এবং প্রশিক্ষণের নীতিমালা তুলে ধরে ব্যাডেন পাওয়েল ১৯০৮ সালে স্কাউটিং ফর বয়েজ নামে বই প্রকাশ করেন। যা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে মেয়েরাও এগিয়ে এলে ব্যাডেন পাওয়েল তার বোন এগনেস ব্যাডেন পাওয়েলের সহযোগিতায়  ১৯১০ সালে গার্ল গাইডিং চালু করেন এবং বালকদের (৬-১১ বয়সী) আগ্রহে ব্যাডেন পাওয়েল শুরু করেন কাব স্কাউটিং বা কাবিং।

বিশ্ব স্কাউট লোগো

স্কাউটিংয়ের তিনটি শাখা: ১। কাব স্কাউট,২। স্কাউট এবং ৩। রোভার স্কাউট। বর্তমানে ২১৬টি দেশ ও অঞ্চলে স্কাউটিং চালু রয়েছে। স্কাউটিং পরিচালনার জন্য ১৯২২ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্থাপিত হয় বিশ্ব স্কাউট সংস্থা। বর্তমানে এ সংস্থার সদস্যসংখ্যা ১৭১টি দেশ। যার মোট সদস্যসংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন (২০২০ )। বিশ্ব স্কাউট সংস্থা মোট ৬টি অঞ্চলে বিভক্ত; ১.আফ্রিকা অঞ্চল, ২.আরব অঞ্চল, ৩.এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল, ৪. ইন্টার আমেরিকা, ৫.ইউরোপ অঞ্চল, ৬.ইউরোশিয়া অঞ্চল।

বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। ইউনিফরম পরিহিত রোভার স্কাউট বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে স্কাউটিং শুরু হয় (যদিও ১৯১৪ সাল এই অঞ্চলে স্কাউটিং চালু ছিল)। ১৯৭৪ সালে ১০৫ নং সদস্যদের হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব সংস্থার স্বীকৃতি পায়। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ বয় স্কাউট সমিতির নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ স্কাউটস নাম করন করা হয়। 

বাংলাদেশ স্কাউটস লোগো

বাংলাদেশ জাতীয় স্কাউটস এর চিফ স্কাউট হলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। একজন নির্বাচিত সভাপতি এবং প্রধান জাতীয় কমিশনার এটি পরিচালনা করে থাকেন। দেশব্যাপী স্কাউট আন্দোলনের সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক অবকাঠামো সুষ্ঠু, সুন্দর ও সমন্বিত ভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্কাউটসকে মোট ১৩টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের সদর দফতর বিভাগীয় সদরে অবস্থিত এবং বোর্ড ভিত্তিক অঞ্চলের মধ্যে কুমিল্লা অঞ্চলের সদর দফতর কুল্লিায় ও দিনাজপুর অঞ্চলের সদর দফতর দিনাজপুর অবস্থিত। খুলনা অঞ্চলের সদর দফতর যশোরে অবস্থিত। রোভার, রেলওয়ে, নৌ ও এয়ার এই ৪টি বিশেষ অঞ্চলের সদর দফতর ঢাকায় অবস্থিত।

Post a Comment

0 Comments